গ্রিসে খেলাধূলায় গ্রীক রমণীদের ভূমিকা আলোচনা প্রসঙ্গে সুপ্রাচীন কাল থেকে গ্রীক রমণীদের খেলাধূলায় যোগদান, দৌড়, কুস্তি, ডিসকাস নিক্ষেপ ইত্যাদি খেলায় রমণীদের অংশগ্রহণ, উৎসবে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রমণীদের অংশ গ্রহণের সুযোগ সম্পর্কে জানব।
প্রাচীন গ্রিসে খেলাধূলায় গ্রীক রমণীদের ভূমিকা আলোচনা
| বিষয় | ইতিহাস |
| বিশ্ববিদ্যালয় | বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় |
| আর্টস | বি.এ. জেনারেল |
| সেমিস্টার | দ্বিতীয় |
| প্রশ্ন | খেলাধূলায় গ্রীক রমণীদের ভূমিকা আলোচনা করো। |
| প্রশ্নমান | ৫ |
সুপ্রাচীন কাল থেকে গ্রীক রমণীরা যে খেলাধূলায় যোগদান করত তার প্রমাণ পাওয়া যায় ক্রীটের ক্লোসাসের রাজা মাইনোসের রাজপ্রাসাদের দেয়ালচিত্রে অঙ্কিত আক্রমণকারী বৃষের সঙ্গে ক্রীড়ারত রমণীর চিত্রটি থেকে। পুরাণ কাহিনীর রাজকন্যা আটলান্টা পেলিয়াসের সম্মানে আনুমানিক ১২৪৫ খ্রিস্ট পূর্বে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছিলেন। উইল ডুরান্টের লেখনীর মাধ্যমে জানা যায় যে, পরবর্তীকালে রমণীরা দৌড়, কুস্তি, ডিসকাস নিক্ষেপ ইত্যাদি খেলায় অংশ নিত সুস্থ সবল সন্তানের জননী হওয়ার জন্য।
স্পার্টায় যদিও জিমনোপেডিয়া উৎসব, করিন্থের আফ্রোডাইসিয়া উৎসবে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রমণীরা অংশ গ্রহণের সুযোগ পেত। তবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ তো দূরের কথা, অলিম্পিক দেখতে গিয়ে যদি তারা ধরা পড়ত তাহলেও ধর্মীয় বিধান তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হত। পরবর্তীকালে মেয়েদের প্রতি এই অবিচারের প্রতিবাদে পেলোপাসের স্ত্রী হিপ্পোডোমিয়া জিউসদেবের পত্নী হেরাদেবীর সম্মানার্থে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য “হেরেরা” নামে পৃথক ক্রীড়ানুষ্ঠানের প্রবর্তন করেন। এর কিছুকাল পর রমণীদের কাছেও অলিম্পিকের অনুষ্ঠান উন্মুক্ত হয়। নানা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় স্পার্টা রমণীদের অংশ গ্রহণের সুযোগ দিলেও এথেন্স এব্যাপারে ছিল অনেকটাই রক্ষণশীল।